Tasneem Zaman Labeeb
← Writing
October 2, 2018 · 1 min read

পুনরপি

ক্রমাগত বড় হতে থাকা ক্যানভাসে প্যালেটগূলো উলটে পড়ে,রং শুকায়,মানুষের দৃষ্টি খুঁজতে থাকে বিশালতা।রং এর ফাঁকতালে ছোট হতে থাকা মানুষগুলো আবার তাকে ফেরাতে চায়।তখন "না" বলতে হয় সত্য।সাবধানে।মিথ্যাগুলো চিৎকার করতে থাকে অস্তিতের আনন্দে,সামাজিক বেড়াজালে অমৃত অধিকারে "অ" "ন"দৃশ্যমান হয়।অবলোপিত নিশ্চুপ ধর্মের মৃতুর নন্দন আর মঙ্গল ঘোষনা।তখন রঙ ছেটানোকে একমাত্র বলে ধরা হয়।লক্ষ্য বৃত্তে ছোট হতে থাকে মানুষের চোখ।মৃতুর ভয় থেকে বের হয়ে ধর্মের উপজাত হিসাবে সৃষ্টি হতে থাকা বিশ্বাস আর অলৌকিকতা। রূপকথার আড়ালে কিছু একটা নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে আমাদের আর আমরা তার সওয়ার।নেকড়ের উপদেশ কথার মতই তা মেরে ফেলার ছক কষতে থাকে।সমান্তরালে থাকা মুখোশ এর আড়ালে বামরা ফেলে দিতে চায়। নূন্য এর আড়ালে পূরণ করতে চায়।ক্ষনিক জন্তুপদ জীবনই ফাঁকা হতে থাকে।বাস্তব আর অবাস্তব-দৃশ্যমানের অন্তরালেই বাস্তব থাকতে থাকে।মরতে থাকা চিরকূট থাকে দোকানের তাকে তাকে আর ধুলাগূলো উড়তে থাকে দূষণীয় করার জন্য অথবা আমরা হতে থাকি তারই আফ্রিকান দাসের শিকল,নিজেদের তৈরি শিকলে আর তালায়।চাবিগূলো থাকে ঈশ্বরের কাছে।সে তা প্রকাশ করতে চায় না অথবা পারে না।নময় পৃথিবীতে সে মানসিক অসুস্থতার ওষুধ আর্বিভূত হয়।তৈরি হয় ধর্ম।মঙ্গল ঘোষনায় সে ছড়িয়ে পড়তে থাকে এই বাস্তব ভাইরাসের মত করে।সকলই একত্রে ক্রীড়নক হিসাবে কাজ করতে চায়।আমরা চুষিত হতে থাকি।শুকনা নদীগুলার তীরে ভেজা বিচ্ছিরি কাদায় আমরা পড়ে আমরা বলতে থাকি ফ্যাকফুক।ক্ষনিক আলো দেখিয়া আমরা বলি সে ছিল।আসলে নাই.তবুও তবু তা।শেষ নিঃশ্বাসে সে ডাকতে থাকে আমার বাইরের রূপ।ধর্মের উৎপত্তি হতে থাকে।